“আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর ক্যাম্পাস সবুজায়ন কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।”
জবৃক্ষ প্রকৃতির অনন্য সম্পদ। মানুষসহ পৃথিবীর সকল প্রণী খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, ঔষধসহ জীবন ধারণের প্রায় সকল উপাদানের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল। প্রকৃতির যে উপাদান ব্যাতীরেখে আমরা মুহুর্তকালও বেঁচে থাকতে পারিনা উদ্ভিদ সে অক্সিজেনের একমাত্র যোগানদাতা।
যে বিশ্ব উষ্মতা বৃদ্ধির কারণে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে আজকের পৃথিবী ঝড়-ঝঞ্ঝা, বন্যা-সুনামী এবং পর্বতোপরি বরফ গলায় বিপর্যস্থ তারও কার্যকর সমাধান এই বৃক্ষ।
তাই, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের যে কর্মসূচী বাস্তবায়ন শুরু করেছেন তার সাথে একাত্ম হয়ে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ রাজধানীর উত্তরাস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। এ কর্মসূচির অধীনে কয়েকশত ফুলজ, বনজ এবং ঔষধি বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে এটিকে একটি সবুজ ক্যাম্পাসে পরিনত করা হবে।
আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার সকাল ১১.০০ টায় ক্যাম্পাসে বনজ, ঔষধি এবং পুস্প শ্রেণীর চারা রোপন করে কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করেন আশা ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের মাননীয় চেয়ারম্যান রাবেয়া আক্তার।
বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর আলোচনা সভায় আশা ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের মাননীয় চেয়ারম্যান রাবেয়া আক্তার বলেন, স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্বপ্ন আশা ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ ফাউন্ডার মরহুম মো. সফিকুল হক চৌধুরি দেখেছিলেন তার স্বপ্ন আজকে বাস্তবে রূপ লাভ করেছে এ জন্য আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া। তিনি প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে একটি করে গাছ লাগিয়ে ক্যাম্পাস সবুজায়ন কর্মে অংশ গ্রহন করতে উপদেশ দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জনাব অধ্যাপক ড. এস.এম. রেজাউল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর সাথে মিল রেখে আশা ইউনিভার্সিটিতে গাছ লাগানো কর্মসূচী একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম বলে উল্লেখ করেন। তিনি সমস্থ শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মকচারী, ছাত্র ও ছাত্রীকে স্বতঃস্ফূতভাবে এতে অংশ গ্রহণের উপদেশ দেন।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোঃ জাফর সিদ্দিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডীন, চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ।







জবৃক্ষ প্রকৃতির অনন্য সম্পদ। মানুষসহ পৃথিবীর সকল প্রণী খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, ঔষধসহ জীবন ধারণের প্রায় সকল উপাদানের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল। প্রকৃতির যে উপাদান ব্যাতীরেখে আমরা মুহুর্তকালও বেঁচে থাকতে পারিনা উদ্ভিদ সে অক্সিজেনের একমাত্র যোগানদাতা। যে বিশ্ব উষ্মতা বৃদ্ধির কারণে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে আজকের পৃথিবী ঝড়-ঝঞ্ঝা, বন্যা-সুনামী এবং পর্বতোপরি বরফ গলায় বিপর্যস্থ তারও কার্যকর সমাধান এই বৃক্ষ। তাই, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের যে কর্মসূচী বাস্তবায়ন শুরু করেছেন তার সাথে একাত্ম হয়ে আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ রাজধানীর উত্তরাস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। এ কর্মসূচির অধীনে কয়েকশত ফুলজ, বনজ এবং ঔষধি বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে এটিকে একটি সবুজ ক্যাম্পাসে পরিনত করা হবে।
আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার সকাল ১১.০০ টায় ক্যাম্পাসে বনজ, ঔষধি এবং পুস্প শ্রেণীর চারা রোপন করে কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করেন আশা ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের মাননীয় চেয়ারম্যান রাবেয়া আক্তার।
বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর আলোচনা সভায় আশা ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের মাননীয় চেয়ারম্যান রাবেয়া আক্তার বলেন, স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্বপ্ন আশা ইউনিভার্সিটির বাংলাদেশ ফাউন্ডার মরহুম মো. সফিকুল হক চৌধুরি দেখেছিলেন তার স্বপ্ন আজকে বাস্তবে রূপ লাভ করেছে এ জন্য আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া। তিনি প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে একটি করে গাছ লাগিয়ে ক্যাম্পাস সবুজায়ন কর্মে অংশ গ্রহন করতে উপদেশ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জনাব অধ্যাপক ড. এস.এম. রেজাউল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর সাথে মিল রেখে আশা ইউনিভার্সিটিতে গাছ লাগানো কর্মসূচী একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম বলে উল্লেখ করেন। তিনি সমস্থ শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মকচারী, ছাত্র ও ছাত্রীকে স্বতঃস্ফূতভাবে এতে অংশ গ্রহণের উপদেশ দেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোঃ জাফর সিদ্দিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডীন, চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ।










